পরিবর্তন ! CHANGE ! बदलाव
To read and write in Bengali, please download FREE Fonts and FREE Keyboard Software by clicking the links given under "You must visit" and Set your Browser Encoding to Unicode (UTF-8 ). Thank you.
WE CONGRATULATE THE COURAGEOUS PEOPLE OF WEST BENGAL AND THEIR LEADER MAMATA BANERJEE (DIDI), WHO SUCCEEDED IN BRINGING ABOUT THE CHANGE AFTER 35 YEARS !
Please give your opinion on what would you like the New Govt of Didi to do to alliviate the sufferings of the people of the state.
Her proactive steps have already shaken the Govt machnery out of its long slumber!
The Govt officers and staff are now at their respective tables by 10AM dot and do not leave the leave for their homes before 5PM! The hospitals are seeing Doctors at scheduled times (almost!).
The original post :---
Now that CHANGE is imminent in West Bengal. That the Elections to the State Assembly has been declared! Do you want a change? If yes what do you want the new Government to do? If No, then let all know why not!
Please write your opinion on this issue as a Comment on this page.
পরিবর্তনের হাওয়া বইছে! পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন ঘোষিত হয়ে গেছে ! আপনি কি পরিবর্তন পন্থী ? পরিবর্তন ঘটলে নতুন শাসকের কাছে আপনার কি চাহিদা বা দাবি ? যদি পরিবর্তন পন্থী না হন, তবে কেন ?
আপনার মতামত এই পাতায় Comment করে লিখে রেখে যান
To read and write in Bengali, please download FREE Fonts and FREE Keyboard Software by clicking the links given under "You must visit" and Set your Browser Encoding to Unicode (UTF-8 ). Thank you.
Click here to listen to a beautiful Bengali song by Debashis Roy about CHANGE, about Paribartan! This has been taken from his Album Bhango Bastil, distributed by Raga Music. The lyrics of the song are as follows:
ReplyDeleteশরতের মেঘ যাবার বেলায়
বলে গেলো --- হাওয়া ঘুরছে!
ঝরা পাতা ঝ’রে কানে কানে কয়
ওই দ্যাখো --- হাওয়া ঘুরছে!
সকাল সাঁঝের কুহেলিকা জ’মে
ফিস্ ফিসে বলে --- ঘুরছে!
ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!
ঘাসে ঘাসে জমা শিশিরে শিশিরে
একই কথা --- হাওয়া ঘুরছে!
তুলসী তলায়, আকাশ প্রদীপে
টিম টিমে বলে --- ঘুরছে |
মিটি মিটি তারা, ছায়াপথ ধারা,
সকলেই বলে --- ঘুরছে !
ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!
যার জমি ঘেরা, রুজি-রুটি কাড়া,
সে তো জানে --- হাওয়া ঘুরছে!
যার কারখানা গেটে তালা মারা
চোখে মুখে --- হাওয়া ঘুরছে!
যার পেটে নেই শুকনো রুটিও
তারও মনে --- হাওয়া ঘুরছে!
ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!
স্লোগানের ঢং, পতাকার রং
সবই বলে --- হাওয়া ঘুরছে!
মশালে মশালে আগুনের শিখা
জ্ব’লে বলে --- হাওয়া ঘুরছে!
কালের কবি দেয়াল লিখনে
দ্যাখে, লেখা --- হাওয়া ঘুরছে!
ঘুরছে! হাওয়া ঘুরছে!
হাওয়া ঘুরছে! ঠিক ঘুরছে!
ভোটের কাঠি বেজে উঠেছে! গতকাল শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের ২২৮জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন। সেই প্রার্থীতালিকার একটি নাম শ্রী মণীষ গুপ্ত। তিনি দাঁড়াচ্ছেন যাদবপুর নির্বাচন কেন্দ্র থেকে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী আর কেউ নন, স্বয়ং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মুলত এই ভদ্রলেকের নেতৃত্বাধীন সরকারকে বরখাস্ত করাই হচ্ছে এই তর্ক-বিতর্কের সভার নাম - "পরিবর্তন"।
ReplyDeleteশ্রী মণীষ গুপ্ত সেই মানুষ যিনি একসময় মুখ্যমন্ত্রীর জ্যোতিবসুর সরকারের কার্যকরি ডানহাত ছিলেন বললে অত্যুক্তি করা হবে না। তিনি বেশকিছু কাল ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব এবং তারপর তিনি মুখ্য সচিব হয়ে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর সময়কালেই ঘটে গেছে জ্যোতিবসুর আমলের বেশকিছু নক্কারজনক ঘটনা। যেমন ১৪জন কংগ্রেসী কে গুলি করে হত্যা করা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে একাধিকবার মেরে ফেলার চেষ্টা, কংগ্রেসের হাত চিহ্নে ভোট দেবার শাস্তি হিসেবে বহু কংগ্রেসকর্মীর হাত কেটে নেওয়া। এছাড়াও আরও বহু কিছু আছে যার তালিকা এখানে আমি করতে চাই না।
মণীশবাবু বলছেন যে এ সব ঘটনার জন্য তিনি দায়ী ছিলেন না। সেটা মেনে নেওয়া আমাদের যত্সামান্য মেধারও অপমান করা হবে। তবুও যদি তা সত্যিও হয়, তবে তিনি সেই সময় অত গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে জোরালো প্রতিবাদ করেন নি কেন, যা মানুষ শুনতে পায়? দোষীদের শাস্তি দেবারই বা তিনি কি ব্যবস্থা করেছিলেন? মৌনতা সম্মতিরই লক্ষ্মণ!
মণীষবাবু আরও বলেছেন যে তিনি কিছু ভাল কাজ করার সুযোগ চাইছেন মাত্র! আমার প্রশ্ন এই যে তাঁর আসল কর্মক্ষম সময়কালটি তিনি জ্যোতিবাবুর ধামা ধরে কাটিয়ে এখন অবসরকালে তিনি কী উপকার করবেন মানুষের? একেই কি বলে গাছেরটা খাওয়া আর তলারটা কুড়ানো!
এরকম ভোটপ্রার্থী যদি শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতীকে দাঁড়ায় তাহলে সেই সব মানুষ, যাঁরা জ্যোতিবসুর আমলে নির্যাতিত ও নিহত হয়েছিলেন তাঁদের প্রতি আমাদের কি এটা সঠিক কর্তব্য হবে? এরকম মানুষ সরকারে এলে কি বিশ্বাস করা উচিত হবে, যে সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের দোষীরা কোনোদিন শাস্তি পাবে?
সরকারী আমলা হলেই বাদ দেবার কথা বলছি না। দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তো যথার্থ ভাল প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে তো কেউ কিছু বলছে না! তিনিও তো জ্যোতিবাবুর আমলের মানুষ। তিনি সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের সময়ে চুপচাপ ঘরে না বসে পথে নেমে আমাদের পথ দেখিয়েছিলেন।
আমার ভোটদানের কেন্দ্র টি আবার এই যাদবপুর-ই! আমি এখানকার ভোটদাতা। আমি এখন এক ধর্মসংকটে পড়েছি! কারণ এখন আর বলতে বাধা নেই যে এই বুদ্ধবাবুর সরকারকে উত্খাত করার জন্য সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনে দিদির পাশে ছিলাম তাঁর আন্দোলনের শুরু থেকেই, চাকরি-বাকরি ছেড়ে দিয়ে! আমি কাকে ভোট দেবো?
শ্রদ্ধেয় মিলনদা যা বলেছেন,তার সাথে আমি সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করি। এই ধর্মসংকটে আজ আমরা অনেকেই পড়েছি। তাই আমার মনে হয় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী নির্বাচনে মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বেশী সতর্ক থাকা দরকার ছিল। নয়তো সংসদীয় রাজনীতির সীমাবদ্ধ ঘেরাটোপে থেকেও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-নেতাই-রাজারহাটে মেহনতী কৃষক-শ্রমিক-সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে সরব হয়ে,তাঁদের জমি-জীবন-জীবিকারক্ষার আন্দোলনে সামিল হয়ে, সিঙ্গুরের চাষীদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া কৃষিজমি ফিরিয়ে আনার দাবিতে ছাব্বিশ দিন অনশন করে যে ‘’স্বচ্ছ, সৎ ও জনদরদী ও প্রতিবাদী’’ ভাবমূর্তি তিনি গড়ে তুলেছিলেন, তা আজ একটা বড়োসড়ো প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়তে পারে। আজ কিন্তু সারা বাংলার মানুষ স্বৈরাচারী বামফ্রন্ট সরকারের অবিলম্বে পতন চাইছে। সিপিএমের প্রতি আম জনতার এই সোচ্চার “না”-কে বামফ্রন্টের একমাত্র বিরোধী ও বিকল্প সংসদীয় দল হিসেবে তৃণমূলের প্রতি “হ্যাঁ” করে জনগণের পূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী আস্থা অর্জন করতে শ্রদ্ধেয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিন্তু পরিপূর্ণ সততা ও প্রখর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার সঙ্গে নির্বাচনের আগে ও পরে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ ফেলতে হবে। মাত্র একটি ভুল সিদ্ধান্তই কিন্তু মাননীয়া বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল দলের পায়ের তলায় শক্ত মাটি কেড়ে নিতে পারে,গণভিত্তিকে বিপন্ন করতে পারে। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-রাজারহাট-হরিপুর থেকে লালগড়---- বাংলার সর্বত্র চলমান গণসংগ্রামের প্রতি লাল-সবুজ-গেরুয়া পতাকার রং বিচার না করে তাঁদের সংহতি জানাতে হবে। মেহনতী মানুষের অধিকার রক্ষার দাবিদাওয়া তুলে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তুলতেই হবে। শুধু ভোটের পালাবদল নয়, “মা-মাটি-মানুষে”র প্রকৃত পরিবর্তন চাই।
ReplyDeleteপরিবর্তনের গান
ReplyDeleteভোটের বাদ্যি উঠলো বেজে,
পড়ে গেল কাড়াকাড়ি।
কে বা কোন্ দল করবে বদল,
কার দল হবে ভারী?
লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
ওরা ঘরছাড়া ফেরারী।
রাতের আঁধারে সূর্যসেনারা
আজও অতন্দ্র প্রহরী।
ভোটের খেলায় বুঝে ওঠা দায়
কার কোন্ অভিসন্ধি?
গৌর-প্রসূন-ছত্রধরেরা
আজও কারাগারে বন্দি।
রাজা আসে যায়, রং বদলায়
লাল-নীল রকমারি।
লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
তাই আজও ওরা ফেরারী।
‘বিপ্লবী’রা প্রজাপতি হয়ে
ঘাসফুলে দেখো উড়ছে।
সিধু-শশধর-উমাকান্তরা
সীসের বুলেটে মরছে।
ডান-বাম মিলেমিশে একাকার,
ভোটের দখলদারি।
লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
তাই আজও ওরা ফেরারী।
শশধর ভাসে জলছবি হয়ে
মায়ের চোখের জলে।
বাপের চিতার আগুনে পুড়ছে
লালমোহনের ছেলে।
ছিতামণির চোখের আঁধারে
কে হবে আলোর দিশারী?
লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
তাই আজও ওরা ফেরারী।
বেছে নাও সাথী কোন্ পথে যাবে?
আমাদের কোন্ পক্ষ?
লালবাড়ি? নাকি শহীদের পথে
লালগড় হবে লক্ষ্য?
ভুখা জনতার সংগ্রামী ডাকে
এসো বিদ্রোহ করি।
লাল পাহাড়িয়া দেশে জঙ্গলে
তাই আজও ওরা ফেরারী।
- রাজেশ দত্ত
১৮ মার্চ ২০১১,চন্দননগর
গণসংগ্রামের গান
ReplyDeleteআর গান নয়, স্লোগান তোলো।
শান্তি মিছিল অনেক হোলো,
এবার ক্রোধের আগুন জ্বালো,
লড়াইয়ের দাও ডাক।
অনেক কান্না, রক্ত ঝরেছে।
কত আশা, কত স্বপ্ন মরেছে।
দাসত্ব বেড়ি দু’পায়ে পড়েছে।
শৃঙ্খল ঘুচে যাক।
খেটে খায় যারা কারখানা-কলে,
চাষের জমিতে, জলে-জঙ্গলে,
লড়াকু কিষাণ-মজুরের দলে
প্রতিবাদ ভাষা পাক।
ভাঙো নীরবতা, ভীরুর জড়তা।
দিকে দিকে জাগে ক্ষুব্ধ জনতা।
লক্ষ কণ্ঠে মুক্তি বারতা ---
থেকো নাকো নির্বাক।
দিগন্তে আজ ঝড়ের আভাস,
রক্ত আখরে লেখে ইতিহাস।
ক্ষোভের আগুনে শ্বেত সন্ত্রাস,
জ্বলেপুড়ে হোক খাক।
পথে নামো সাথী, দূর করে ভয়।
হবে মেহনতী মানুষের জয়।
দিনবদলের দৃঢ় প্রত্যয়
বুকের গভীরে থাক।
- রাজেশ দত্ত
১৯ জানুয়ারি ২০১১,চন্দননগর
আমরা কবি রাজেশ দত্ত কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই এখানে কবির এত সুন্দর অথচ জোরালো দুটি গান তুলে দেবার জন্য | আমরা গর্বের সঙ্গে আরও জানাচ্ছি যে আমাদের ওয়েবসাইটে কবির কিছু গান নিয়ে পাতা আমরা তৈরি করেছিলাম সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলাকালীন | সেই পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন |
ReplyDeleteBaba! Poribartan na holeo dosh! holeyo dosh! Didi ki apnader mon rakhben na poribartan korben?!
ReplyDeleteএই কবিতাটি আমাদের কাছে এসেছে...
ReplyDeleteসিপিএম নেতা অনিল বসুর কদর্য ভাষায় ও কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করে রেলমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করার ছবি টিভির পর্দায় দেখে ও শুনে এই ছড়াটি লিখে ফেলি। তথাকথিত কম্যুনিস্টদের হাতে বারবার নিপীড়িত, ধর্ষিত ও অসম্মানিত বাংলার নারীদেরই একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমার প্রতিবাদ। আপনারা এই ছড়াটিকে ছড়িয়ে দিলে, আপনাদের মুদ্রণ মাধ্যমে ছাপলে, প্রচার করলে কৃতজ্ঞ থাকব।
সিপিএম পাঁচালি
সংঘমিত্রা দত্ত
বুদ্ধ, বিমান, বিনয়, অনিল
মাস্তানদের ভাষায়
মাঠ-ময়দান কাঁপিয়ে বেড়ায়,
বিরোধীদের শাসায়।
বুদ্ধ মোটেই অহিংস নয়,
হার্মাদদের নেতা।
আগুনে পোড়ালো ছোটো আঙারিয়া,
কেশপুর-গড়বেতা।
‘সফেদ’ ডিটারজেন্টে ধোওয়া
শুভ্র বসন বেশ।
পলিটব্যুরোর পালিত বুড়োর
পলিত মাথার কেশ।
টাটা-জিন্দাল-সালিম-আজিম
বুদ্ধের সহোদর।
সুকান্ত নয়, হিটলারেরই
যোগ্য বংশধর।
আর একজনা মাসতুতো ভাই
নাম গৌতম দেব।
রাজারহাটের জমির ডাকাত,
কাটে গরিবের জেব।
ভট্টাচার্যি অশোকবাবুর
মেজাজ ‘চন্ডাশোক’।
বিনয় বড়োই দুর্বিনীত,
নয়তো ভদ্রলোক।
নন্দীগ্রামের গরিব চাষির
করতে ‘লাইফ হেল’,
হামলা চালায় চোদ্দই মার্চ
শেঠের খুনে লেঠেল।
মেধা-অনুরাধা ‘বহিরাগত’--
বিমান ‘কথামৃত’।
সুশান্ত ঘোষ, লক্ষ্মণ শেঠ
আগুনে ছড়ায় ঘৃত।
মেধাকে রুখতে বিনয় কোঙার
টিভি ক্যামেরায় বলে,
“গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি
পেছন দেখাবে খুলে”!
“তাপসী মালিক চরিত্রহীন”--
বিমানের দর্শন,
“কলঙ্কিনী বলেই মেয়ের
হয়েছিল ধর্ষণ” !
নন্দীগ্রামের গণহত্যায়
বুদ্ধ দেয় নিদেন--
“দে হ্যাভ বিন পেইড ব্যাক
বাই দেয়ার কয়েন”।
বাক্যে নয়, গায়ের জোরেও
বুদ্ধরা তৎপর।
মমতার ঝুঁটি ধরে ঝাঁকি দেয়,
সুজাতকে থাপ্পড়।
হরেকরকম গালিগালাজ
কমরেডদের জানা।
নেতাজি হন ‘তোজোর কুকুর’,
অতুল্য ঘোষ ‘কানা’!
আলিমুদ্দিন সংস্কৃতির
সুমহান ট্র্যাডিশন।
প্রমোদ-জ্যোতি, বিনয়-অনিল
কত মধুর বচন!
প্রমোদ দাশগুপ্তের সেই
ঐতিহাসিক ক্রোধ--
“নকশাল কেন গুলিতে মরেনা,
বন্দুকে কি নিরোধ?”
বানতলায় অনিতা দেওয়ান
খুন হলে বসু কয়---
“খুন-ধর্ষণ ঘটলে কী ক্ষতি?
এমন তো কত হয়”।
‘নন্দন’ থাক, বইমেলা থাক
মায়কোভস্কি থাকো।
প্রগতিশীলতার মুখোশ এঁটে
হার্মাদদের ডাকো।
“তপন আছে, সুকুর আছে
আছে ক্যাডার-পুলিশ।
সবাই মিলে কামড়ে দেব,
এই কথা না ভুলিস”।
মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-স্তালিন
ওঁরা ‘আউট অফ ডেট’!
বঙ্গ কম্যুনিস্টদের দেখে
লজ্জায় মাথা হেঁট।
রবীন্দ্র-নজরুল-রোকেয়ার
সোনার বাংলা থেকে
লাল বানরের কালো কালচার
ছুঁড়ে ফেলে দাও পাঁকে।
- সংঘমিত্রা দত্ত
ভবানীপুর, কলকাতা-২৫
২৩ এপ্রিল, ২০১১
২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনোত্তর সময়ে, বিজয়ী দলের নেত্রী একটি আদেশ জারি করেছিলেন যে মানুষজন যদি কোথাও কোনো গান বাজাতে চান, তবে তা যেন শুধু রবীন্দ্রসংগীত হয় | এই আদেশের উদ্দেশ্য মহৎ হলেও, দেখা গেল যে, যে গানগুলি সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ে রচিত হয় এবং নিজগুণে জনপ্রিয়তা অর্জন করে, যেমন কবীর সুমনের “নন্দীগ্রাম” সিডির গান, প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গান, রাজেশ দত্তর “মা মাটি মানুষের” গান, দুষ্টকবির লেখা দেবাশিস রায়ের সুরারোপিত “বাংলা জ্বলছে” এবং “ভাঙো বাস্তিল” সিডির গান এবং অন্যান্য কিছু জনপ্রিয় গান বাজানো প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হলো | আন্দোলনকারীরা নিজেরাই নিজেদের আন্দোলনের গান গাওয়া বা বাজানো বন্ধ করে দিয়েছেন, এমনটা এর আগে সারা পৃথিবীর কোনো আন্দোলনেই দেখা যায় নি! পুরো ব্যাপারটাই এমন রূপ নিয়েছে যেন এই গানগুলির উপর একটি অলিখিত সেনসরশিপ চাপিয়ে রুদ্ধ করে দেওয়া হল! এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুষ্ট কবি এই কবিতাটি রচনা করেছেন |
ReplyDeleteতুমি মানুষের পাশে ছিলে
তুমি এখনো পাশেই আছ
রাজ-প্রহরার ব্যারিকেড ভেঙে
জনজোয়ারের পথে নেমে নেমে
প্রজার অশ্রু মোছো
তোমার রাজদণ্ডের শরে
বিদ্যুৎ-শিখা ঝরে
রাজাসন থেকে পথে নেমে এসে
তৃষিত তাপিত জর্জ্বর দেশে
শান্তির বারি ঝরে
যারা করেছিল অপমান
যারা হেনেছিল অবিরাম
তারাই আজকে নতমস্তকে
বিতাড়িত হয়ে জনমন থেকে
গায় তব গুণগান
আমি তোমার, কালেরই কবি
আমি নয় গো তোমার “রবি”
তুমি বেঁচে রবে আগামীর দিনে
আমারই কথায় আমার এই গানে
এ নয় গো আমার দাবী
তবুও হে কাণ্ডারী
কবিরে দাও হে মুক্ত করি
“রবি”র দোহাইয়ে বেঁধো নাকো তারে
তোমারই তরে সে বন্দনা করে
নিজের মতন করি
. ******** কলকাতা ৩০/০৫/২০১১
শ্রদ্ধেয় মিলনদা, আমি তোমার এই সাম্প্রতিক লেখা মন্তব্য ও কবিতার প্রেক্ষিতে বেশ কিছুটা বিভ্রান্তিতে পড়েছি। কারণ আমার বা আমাদের সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের গানের ওপর অলিখিত সেন্সরশিপ জারি করা হয়েছে এমন খবর তো আমাকে কেউ দেননি। আর তাছাড়া মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্র সংগীত ছাড়া আর কোনও গান গাওয়া বা বাজানো যাবে না, এমন কোনও অদ্ভুত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বলেও তো কোথাও কোনো খবর পড়িনি। ১১ জ্যৈষ্ঠ নজরুল জন্মজয়ন্তীতেও তো কাজী নজরুল ইসলামের গান গাওয়া হয়েছে এবং একটি নজরুল academy গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয়, তোমাকে নিশ্চয়ই কেউ কোনও ভুল খবর দিয়েছেন। কারণ আমি নিশ্চিত এমন কোনও খবর থাকলে তা আমার কাছে এসে পৌঁছত। তুমি অনুগ্রহ করে এর সত্যতা যাচাই কর এবং আমাকে জানাও। তুমি প্রতুলদা ও কবীর সুমন কেও জিজ্ঞাসা করতে পারো। --রাজেশ
ReplyDeleteআমি এই বিভ্রান্তিকর খবরের প্রেক্ষিতে বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার লেখা "সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-লালগড়" এর লড়াইয়ের গানের উপর কোনোরকম সেন্সরশিপ জারি করা হয়নি, বা অলিখিতভাবেও এমন কোনো নির্দেশ কেউ দেন নি। আমি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে গান লিখছি, আমার গানও গাওয়া হচ্ছে আর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নতুন লেখা গান ছাপাও হচ্ছে। তাই অনুগ্রহ করে এই অসত্য খবরে আমার নাম জড়াবেন না। শ্রদ্ধেয় মিলনদাও এই অসত্য খবরে বিভ্রান্ত হয়েছেন। তাঁকেও জানাই যে আমার গান এখনও গাওয়া হচ্ছে, বাজানোও হচ্ছে। --রাজেশ দত্ত। চন্দননগর।
ReplyDeleteজেনে ভাল লাগলো যে রাজেশ দত্তর গান গাওয়া এবং বাজানো হচ্ছে| আমরা কোথাও বলি নি যে সেনসরশিপ চাপানো হয়েছে| শুধু রবীন্দ্র সংগীত বাজানোর কথা উঠেছিল এবং তা খবরেও প্রকাশ পেয়েছে| পরে তার সাথে নজরুলের গান চালানোর কথা ওঠে, তাও খবরে প্রকাশ পায়| এবং সেইমত গান বাজানোও হয়েছে| এর ফলে অন্যান্য গান বাজানো যে কমে গেছে, সেটা ঠিক|
ReplyDeleteমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে, ক্যানসার চিকিত্সার উন্নয়নের জন্য, আমার একটি প্রস্তাব আছে ।
ReplyDelete১৯৯৭ থেকে আমরা উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়িতে, বছরে একটি করে বিনামূল্যে ক্যানসার নির্ণয় শিবির অনুষ্ঠিত করে আসছি । কলকাতার ইণ্ডিয়ান ক্যানসার সোসাইটির বিশেষজ্ঞগণ আমাদের শিবিরের রোগীদের পরীক্ষা করেন । সেই সূত্রে এবং আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে এই রাজ্যে ক্যানসার চিকিত্সার পরিকাঠামো খানিকটা থাকলেও, বিগত সরকারের উদাসীনতা এবং কিচ্ছু না করে শুধু পার্টিবাজী করার আগ্রহে ক্যানসার চিকিত্সা ব্যবস্থার চরম দুর্গতি হয়েছে ।
অনেক ক্ষেত্রে রেডিশন দেবার মেশিনটাকে দিনে মাত্র ৪(চার) ঘন্টা ব্যবহার করা হয় । কারণ নাকি - ট্রেইন্ড লোক নেই! আমি ব্যক্তিগত সূত্রে জানতে পেরেছিলাম যে কর্মচারী সংঘটনের চাপে এবং আরও কিছু বাধাদানের কারণে লোক বাড়ানো যায় নি । কিছু উত্সাহী চিকিত্সক অনেক আবেদন নিবেদন করেও কোনো ফল পান নি । হতাশ ও হতোদ্দম হয়ে তাঁরা বাধ্য হয়ে এই ব্যবস্থা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন । ঠিক যেমন সারা বাংলার মানুষ এই ব্যবস্থা এতদিন মেনেই জীবন কাটিয়ে দিচ্ছিলেন ।
আপনা হয়তো জানেন যে রেডিয়েশন দেবার মেশিন টিকে ইচ্ছে মত সুইচ টিপে রেডিয়েশন স্টার্ট ও স্টপ করা যায় না । কারণ বিকীরণ একটি এমন প্রসেস যা চলতেই থাকে শক্তি বা ক্ষমতা ফুরিয়ে না যাওয়া অবধি । আমরা শুধু মেশিটি থেকে রোগীর যায়গা মত, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সময়ের জন্য, রেডিয়েশন দেবার জন্য একটি জানালা খুলে দিয়ে কাজ সম্পন্ন করি । তাই এত দামী মেশিনটির দিনে যতবার ইচ্ছা আমরা ব্যবহার করলেও যা খরচ হবে মাত্র চার ঘন্টা রোগী দের উপর ব্যবহার করলেও তাই খরচ হবে । কারন আগেই বলেছি যে বিকীরণ তো সর্বক্ষণ হয়েই চলেছ!
এবার বেশী সংক্ষক ট্রেইন্ড টেকনিশিয়ান রাখলে অনেক বেশীক্ষণ রে-মেশিন কে ব্যবহার করা যাবে । দিনে চার ঘন্টার বদলে দিনে ১২, ১৬ ঘন্টা নিশ্চিন্তে শিফ্ট ডিউটি করলে বহু মানুষের তাড়াতাড়ি রে দেওয়া সম্ভব হবে । আজকাল সরকারী হাপাতালে ওয়েটিং পিরিয়াড কত তা যারা ভুক্তভুগী, তাঁরাই জানেন । এক সময়ে উত্তরবঙ্গে এক-দেড় মাস পরে ডেট পড়তো । যে চিকিত্সায় দেরী মানেই মৃত্যু, সেখানে দেড় মাস পরে রে দেবার ডেট কোন মুখে দেওয়া হোত জানিনা!
তাই আমার অনুরোধ মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রীর কাছে এই যে উনি যেন এ বিষয়ে নজর দিয়ে এই দামী মেশিনগুলোর দীর্ঘ সময়ের ব্যবহার শুরুকরার ব্যবস্থা করেন এবং বাংলার মানুষকে অহেতুক বেদণাদায়ক মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেন ।
২৬ অগাস্ট ২০০৬ তে আমি সল্ট লেকের স্বাস্থভবনের সংস্লিষ্ট আমলাদের সাথে অন্যান্য ক্যানসার সোসাইটির একটি মিটিংএ এই কথাগুলি বলেছিলাম । আমলারা প্রায় হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন এই প্রস্তাবটি ! পরে আমি লিখিতভাবে আমার প্রস্তাব তাদের চিঠি দিয়ে জানাই । বলাবাহুল্য কোনো উত্তর পাই নি !
মিলন সেনগুপ্ত,
সম্পাদক,
পাণ্ডাপাড়া মধুসূদন স্মৃতি ক্যানসার সোসাইটি
গতকাল গড়বেতার বেনাচাপড়া গ্রাম থেকে ৭টি নরকঙ্কাল মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে গ্রামবাসীদের উদ্যোগে । ৬ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে নন্দীগ্রামে ঠিক এরকমভাবেই সি.আর.পি.এফ. ও সিবিআই মিলে, খেজুরিতে পাঁচটি কবর খুঁড়ে মানুষের দাহ করা অবশেষ উদ্ধার করেছিলেন । সেই সময় দুষ্টকবি একটি কবিতা রচনা করে আমাদের সাইটে প্রকাশিত করেছিলেন ।
ReplyDeleteকবর খোঁড়
কবি কণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
মানুষ চিনতে পারিস নি তুই, এখন তার মাশুল ভর!
যাকে তুই আনলি ডেকে
সে ব্যাটাই পালটি হেঁকে
তোকে তোর ভিটা থেকে
তাড়াবার পিলান ঠোকে!
সফেদ ধূতির কোঁচায় ভোলার, এখন তুই মাশুল ভর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
যারা তোর ভাইকে মারে
বোনের ইজ্জৎ কাড়ে
মেরে লাশ লোপাট করে
পুড়িয়ে মাঠে গাড়ে!
মিথ্যাচারকে আড়াল করার, এবার তুই মাশুল ভর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
এত কাল চুপটি ছিলি
তাই এই সুযোগ দিলি
কত যে পড়লো বলি
তার কি হিসাব পেলি ?
ডাইনে বামে ভেঙে থাকার, এখন তুই মাশুল ভর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
কবর খোঁড় পথের ধারে
কবর খোঁড় ঝোপে ঝাড়ে
যাবি ক্যান্ চুপি সাড়ে ?
কবর খোঁড় ডঙ্কা মেরে!
কে জানে তুই কোথায় পাবি, নিকট জনের শেষ খবর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
কবর খোঁড় যেথায় গোরে
কবর খোঁড় শ্মশান পুরে
কবর খোঁড় জুম্মা বারে
কবর খোঁড় বিষুদ্ বারে
এই একতা অটুট রেখে বাংলা জুড়ে নজীর গড়!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
কবর খোঁড় পুকুর পাঁকে
কবর খোঁড় নদীর বাঁকে
ছুটে যা ঝাঁকে ঝাঁকে
খুঁড়ে তোল মোহানাকে
তোর কবর খোঁড়ার শব্ দে ভাঙ্গুক উপরওয়ালার ঘুমের ঘোর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
যদি তুই এ ভুল দাবার
না ভেবে করিস আবার
তাহলে জানিস এবার
পাবি না পথ পালাবার
তুই বাংলা জুড়ে খুঁড়বি তখন নিজেই নিজের শেষ কবর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
ধৌত মগজ, বাঁধা অন্তর
বিবেক বালাই ছু-মন্তর!
নিদ্রিত জন! বন্ধক মন
ছাড়িয়ে কাটা কুহক-ভর!
দুষ্ট কবি তাই সজোরে নাড়ছে কড়া তোদের দোর!
কবর খোঁড় কবর খোঁড়, বাঙালী কবর খোঁড়!
. ***** কলকাতা ০৯/১২/২০০৭
We whole-heartedly applaud Hon Chief Minister Smt. Mamata Banerjee's order to her Govt to provide food to the people of Jangalmahal.
ReplyDeleteThis is the first time in India since the Independence, any Govt head has issued an order like this. This order is not an election gimmick like providing Rice at Rs.2 a Kilo or some thing like that.
If implemented properly, than we will be able to say with pride, in near future, that no one goes hungry in West Bengal.
Year after year, thousands of Tonnes of Grains rot in FCI godowns and we have a large section of the population remaining hungry, at the same time! That defys all logic of being a Free Country!
Let us hope at least in West Bengal people do not remain hungry any more.
She should also ensure that the money and grains do not get diverted into pockets of the usual corrupt officials and politicians!
NEWLY ELECTED GOVT OF WEST BENGAL UNDER SMT MAMATA BANERJEE'S LEADERSHIP HAS AQUIRED BACK THE ENTIRE LAND GIVEN TO TATA MOTORS BY ISSUEING AN ORDINANCE, YESTERDAY. AS PROMISED, SHE WILL BE GIVING BACK 4OO ACRES TO THOSE FARMERS WHO HAD REFUSED TO GIVE THEIR LAND IN 2006.
ReplyDeleteWE ARE OVERWHELMED BY THIS NEWS!
LONG LIVE SINGUR AND IT'S VALIANT PEOPLE AND THEIR LEADER!
WE PRAY FOR ALL THOSE WHO COULD NOT LIVE TO SEE THIS DAY. THEY EITHER WERE MURDERED RUTHLESSLY BY THE FORCES OR CONTRACT KILLERS OF THE LEFT FRONT GOVT OF SRI BUDDHADEB BHATTACHARYA OR WERE FORCED TO TAKE THEIR OWN LIFE.
৩০শে সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে, পশ্চিমবঙ্গ কৃষিজমি রক্ষা কমিটির ডাকা সিঙ্গুর আন্দোলনের বর্ষপূর্তির দিনে, সিঙ্গুরে গিয়ে শিশুদের মুখে বড়দের স্লোগান শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন দুষ্ট কবি | এই কবিতার তৃতীয় স্তবকটি সেবার সিঙ্গুর ঘুরে এসে লেখা হয়েছিল, সেই শিশুদের উদ্দেশে, যাদের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর সরকার, শৈশবেই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমে পড়তে বাধ্য করেছিলো |
ReplyDeleteএই কবিতাটি একাধিকবার সিঙ্গুরে গিয়ে পাঠ করেছিলেন দুষ্টকবি । আবৃত্তির সময় সিঙ্গুরের ছেলে মেয়েরা কবির সঙ্গে গলা মেলাতেন, ঠিক স্লোগান দেবার মতো করে । আজ তাঁদের আন্দোলন সফল হতে চলেছে, এ এক স্বর্গীয় অনুভূতি !
বল সিঙ্গুর বল সিঙ্গুর
এই মাটি হলো বিশ্বকবির সোনার বাংলা
এই মায়েরই মোরা সন্তান, তাই রুখছি হামলা
এই মাটিকেই বঙ্কিম বলে বন্দেমাতরম
বেচবো তাকে !? আমরা মোটেই নই সে নরাধম
সাবধান রাজা ! সরাও দৃষ্টি ওই লোভাতুর চক্ষুর
জেনে রাখো রাজা - ভরাডুবি হবে, এটা হল সিঙ্গুর
বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর
টাটার অর্থে যতই পোষো হার্মাদ, ওহে বুদ্ধ !
জমি ঘিরে নিয়ে ভেবো না তুমি জিতে গেছ, এই যুদ্ধ
মোদের রোষানলে তুমি হবে নিমেষেই ছারখার
টাটা-সালেম-বন্ধুরা যত ছুটবে পগারপার
ভুলো না, তুমি খেলছো নিয়ে এই জমি সিঙ্গুর
বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর
এক্কা-দোক্কা, ঘুড়ি-লাটাই, ডাং-গুলি গেছে ছুটে
হেথা শিশুদের মুখেও এখন স্লোগানের খই ফোটে
বইয়ের পাতায়, নামতার পাঠে পড়ে মুক্তির গান
এই বয়সেই চোখে-মুখে দ্যাখো আগুনের ঝলকান্
বড়দের সাথে তাদেরও কণ্ঠে ওঠে সেই এক সুর
দিচ্ছি না জমি, দিচ্ছি না জমি, দিচ্ছি না সিঙ্গুর
বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর
ওরে কাস্তে শানা, রোখরে হানা, দুই হাতে তোল অস্ত্র
মনে রাখ্ , এই জমিতে জ্বলেছে তাপসী নিরস্ত্র
জীবন মরণ বাজী রেখে জমি কেড়ে নিয়ে ফের গড়্
সবার জমি, সবার জীবন, সবার সুখের ঘর
শারদোত্সবে, ঈদের পরবে, বাজে একটাই সুর
দুষ্ট কবি চারিদিকে শোনে সিঙ্গুর সিঙ্গুর
বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর, বল সিঙ্গুর
. ******কলকাতা ২১/৯/২০০৭
জয় হ’ল! বিপুল ভোটে আমূল পরিবর্তন হ’ল মন্ত্রীসভার | তৃণমূল কংগ্রেস জোট হাজার হাজার ভোটে (বিধানসভা নির্বাচন) জিতে হারিয়ে দিল ৩৪ বছরের CPM এর দলতন্ত্রকে --- সৃষ্টি করল ঐতিহাসিক নজির, গণতন্ত্রের |
ReplyDeleteস্বপ্ন-গল্প-কল্পনাকেও হার মানিয়ে সৃষ্টি হ’ল সত্যের ইতিহাস | আপামর জনসাধারণ এই জয়ের আনন্দে উচ্ছাসে --- উল্লাসে --- বিস্ময়ে পুলকিত হয়েছে, শিহরিত হয়েছে, ধর্মের কল বাতাসে নড়েছে |
মমতা --- তাঁর জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়েছে, জয়ী করেছে তাদেরও যারা পরিবর্তন চেয়ে তাঁর সাথে যুদ্ধ করেছে --- লড়াই করেছে --- সঙ্গ দিয়েছে | অপূর্ব এক আনন্দের দিন দেখলাম আমরা --- স্বাধীনতার পর পুনর্বার |
সোনালী সেনগুপ্ত
১৩ মে ২০১১, শুক্রবার,
শিবমন্দির, শিলিগুড়ি
কবি সোনালী সেনগুপ্ত-র কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন...
মিলনসাগর
কী অপূর্ব সুন্দর উজ্জ্বল এক সকাল! যা নিয়ে এল সূর্যের আলো কে, নূতনভাবে আমাদের কাছে --- আমাদের উপলব্ধিতে --- আমাদের মনে | প্রতিটি মুহুর্ত --- প্রতিটি পদক্ষেপেই --- প্রতিটি কর্মের মধ্য দিয়ে জীবনকে উপভোগ করছি, আনন্দের মধ্য দিয়ে, গানে --- কবিতায় --- গল্পে --- রান্নাতেও | আগামী প্রতিটি দিনও হয়ে উঠুক আনন্দের, শান্তির, উজ্জ্বল সফলতায় | দেশের সর্বত্র এসেছে এই আনন্দের জোয়ার |
ReplyDeleteসেই যে কবিতায় বলেছিলাম “দাদা, তোরা ভাল থাক” বৃষ্টি হবেই, জয় হবেই --- শুধু তোরা ভাল থাক | আজকের এই দিনটিকে আহ্বান করার জন্য, উপভোগ করার জন্য, আনন্দের বন্যায় ভেসে যাওয়ার জন্য --- তোরা সবাই ভাল থাক |
দাদাদের - বোনটু |
সোনালী সেনগুপ্ত
১৪ মে ২০১১, শনিবার,
শিবমন্দির, শিলিগুড়ি
কবি সোনালী সেনগুপ্ত-র কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন...
মিলনসাগর
Paribartan, as of now, is only skin deep. To be of lasting value, I request the current Govt lead by the CM to clearly lay down a few DOs and DON'Ts for all the ruling alliance and rank and file of the concerned parties. Real Paribartan would be a socio economic revival of the State through Good Governance.
ReplyDeleteCase in point is the reaction of the State Machinery after the recent deluge..... it was most unprofessional, specially considering that there was adequate prior information about the impending low pressure.
The CM may consider greater participation by the Civil Society and Experts on Disaster Management.
Col G Sikdar
Posted by Col G Sikdar to milansagar at June 22, 2011 6:32:00 AM GMT+05:30
Thank you Sir for putting down your valued comment in our Blog.
ReplyDeleteHope things improve henceforth. We also have to give them some time to jarr the govt machinery of West Bengal from its 35 years long slumber!
Yesterday we came to know, after CM Smt Mamata Banerjee's sudden visit, that Dr Rojina Khatun, the wife of Sri Mohammed Salim, a sitting CPIM MP had been occupying (about 4000 sqft) a complete ward of the Hospital "Chittaranjan Shishu Sadan" as her quarter, for last 22 years!
It seems that as gradually, things start coming out of CPIM's closet, it will be our tur to get more and more shocked!
গত কাল টেলিভিশনের পর্দায় পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার অধিবেশনে প্রথম ভোট অন একাউন্ট চলা কালীন, সভা দেখতে ভাল লাগলো এই দেখে যে অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতা বাংলায় পড়লেন।
ReplyDeleteতিনি তাঁর বক্তৃতায় যে সব তখ্য দিয়েছেন তা বাংলার পক্ষে সতিই অতি লজ্জার বিষয়। ধীরে ধীরে প্রকট হয়ে উঠছে যে সুদীর্ঘ সময় ধরে বাংফ্রন্ট সরকার কিচ্ছুটি না করেই সময় কাটিয়েছেন। তাঁদের একমাত্র কাজ ছিল দলতন্ত্র বজায় রাখা, যে কোনো উপায়ে। তাঁদের কাছ থেকে যে অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে, তা দেখে আমরা শঙ্কিত এই ভেবে যে যদি কোনো ক্রমে তাঁরা এবারও নির্বাচনে জিতে আসতেন তা হলে বিরোধী দলগুলো এবং সাধারণ মানুষের কী হাল হোত!
সভার অন্য একটা বিষয় খুব বিষদৃশ্য ঠেকেছে। তা হলো, মহামান্য স্পীকার এত ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করেন কেন! এটা তো সংসদও নয় যে নানাভাষার মিলনক্ষেত্র, সভাসদরা বাংলা বুঝবেন না! যতদূর জানি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বাংলা বুঝতে পারবেন সবাই।
বাংলাভাষার উন্নতি করতে হলে এসব জায়গা থেকেই শুরু করতে হবে। ইস্কুলে বাংলা শেখাবো আর বাকি সারা জীবন বাংলার কোনো প্রয়োজন রাখবো না, এমন ব্যবস্থা চলতে থাকলে বাংলাভাষার ভবিষ্যত সম্বন্ধে প্রশ্ন থেকেই যায়।
Yesterday we got the news that 19 children(Bartaman) had died within 48 hours at BC Roy child Hospital in Kolkata.
ReplyDeleteThe Hon. Chief Minister Smt Mamata Banerjee has instituted a commitee of enquiry for that and further stated that the persons responsible will not be spared.
But the people of the state expect a little more! General opinion is that the CM should have met the families of the dead children as a humanitarian gesture, for which she is well known. This would have surely been more reassuring to the pateint parties. We are used to seeing her rushing to the victims of any mishaps! Hence the expectation!
We pray that like the two previous chief Ministers, Jyoti Basu and Buddhadeb Bhattacharya, she should never get sucked in to the whirlpool of bureaucratic procedures. We pray that she remains the path-breaker that she has been till now, the usherer of Ma-Mati-Manush movement in India.
We do realise that the present situation in the Govt hospitals of West Bengal is not the creation of the present govt. Every one knows that it is the doing of the Previous Left Front Govt.
The previous Health Minister of The ousted Left Front Govt, Dr Surya Kanta Misra, who is the present leader of opposition in the state assembly, (was also the mister for Panchayats), was so busy looking after the Panchayat raj(read Party Raj) that he made a mess of whole health system in the state.
It seemed that the CPIM had a discreet understanding(!?) with the Health Sector investors in the state! The understanding seemed to go like this --
That the govt would make the health system so bad that people would be left with no choice but to go to private Hospitals for treatment! So that the Private Hospitals could make great profits! A great understanding indeed!
Hospitals (and every thing and anything belonging to the Govt of WB) belonged to the CPIM Party Cadres! Not to the people of the state!
This is in connection with the Tista River water treaty with Bangladesh.
ReplyDeleteWe fully endorse the stand taken by the Chief Minister Smt Mamata Banerjee.
For her, the interest of the state came before personal friendship, Unlike Jyoti Basu who had agreed to Ganga River water sharing many years back.
But now we Indians must give something substantial to Bangladesh so that PM Sheikh Hassina's hands are strengthened. She has always been a friend of India. This action of not having the Tista River agreement will only strengthen the hands of anti Indian fundamentalist forces in Bangladesh. We appeal to the CM to look into this angle too.
It is alleged that Jyoti Basu had agreed to such a agreement (Ganga water shareing) after the then Bangladesh govt and the Indian Govt assured the safe keeping of his ancesterial house and property in Banladesh.
We do not know whether the allegation is true or not. But Jyoti Basu's life and works (or no works!) was such that not many people would disagree!
To read the deeds and misdeeds of Jyoti Basu, click here.
milan tumi ja bolecho, ja likhecho sob sotti. mamata ke amra enechilam 34 bachare bamer name manushke soner birudghet hatier hisabe. ekhon dekho matro 4 monthe or mukhosh berie poreche, budhijibira or dassotto swikar koreche. eeta je eto tara tari habe vabini, jungle mahal jure joutho bahini, voirab bahini, saloa judum suru holo. ASIMGIRI
ReplyDeleteআমরা কলকাতা পুলিসের গোয়েন্দা প্রধান, যুগ্ম কমিকশনার (ক্রাইম) দময়ন্তী সেন কে জানাই আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, এত কম সময়ে “পার্কস্ট্রীট ধর্ষণ মামলা"-র কিনারা করে দেওয়ার জন্য। তাঁর নাম আজ অবধি কোন নেতিবাচক কুকর্মের সঙ্গে যুক্ত, এমনটি আমরা দেখতে পাইনি। বলা বাহুল্য, তিনি কাজ করেছেন প্রচণ্ড চাপের মুখে। সেই চাপের উৎস স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর উক্তি। এক সময়ে আরও একজন মহিলা পুলিস অফিসারের নাম আমরা শ্রদ্ধার সাথে মুখে আনতাম। তিনি কিরণ বেদী। বর্তমানে তিনি অন্না হাজারের ভ্রষ্টাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
ReplyDeleteদময়ন্তী সেনেরই তৎপরতায়, দেরীতে কেস হাতে পাওয়ার পরও এই হতভাগ্য অত্যাচারিতা রমণী ন্যায়বিচার পেতে চলেছেন এতে কোনো সন্দেহ নেই। তাঁরই তৎপরতায় তিনজন নিরপরাধ যুবক চুড়ান্ত দুর্নামের ভাগিদার হওয়া থেকে রেহাই পেলেন।
আমরা এই কেসের উপর নজর রেখেছিলাম, এবং এই নারী ও নিরপরাধ যুবকদের অসহয়তার কথা ভেবে হতাশ হওয়া ছাড়া আর আমাদের এতদিন কোনো গতি ছিল না। তার কারণ মূলত পুলিস-প্রশাসেনর অমানবিক ও অদরদী ব্যবহার, এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উক্তি, যাকেও অমানবিক, অদরদী এবং হঠকারী বললে কি ভুল বলা হবে ?
বাণতলা কাণ্ডের ধর্ষীতাদের উদ্দেশ্যে প্রয়াত ও এরই মধ্যে প্রায় বিস্মৃত তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর উক্তি “এরকম তো কতই হয়”, আমরা এখনও ভুলতে পারি নি। সেই উক্তির সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাজানো গল্প” উক্তিটির কতটা পার্থক্য ? আমি তো বলবো এই উক্তি আরও অসংবেদনশীল, কারণ এই উক্তিটি আমরা পাচ্ছি একজন নারীর কাছ থেকে অন্য এক নারীর সম্বন্ধে, যিনি চূড়ান্ত অপমানের কথা অগ্রাহ্য করেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই “পরিবর্তনের” প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচারে আশায় এগিয়ে এসেছিলেন।
আজ নারীজাতির মুখরক্ষা করলেন একজন নারীই। তবে তিনি অবশ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। তিনি দময়ন্তী সেন।
আমার ভাবতে অবাক লাগছে, এ কোন “দিদি"কে আমরা দেখছি ! তাঁকে দেখেই এক সময়ে, একালের চারণকবি-শিল্পী অসীম গিরি গেয়েছেন “মমতা আপনি লড়ুন”! তাঁর আগুন-ঝড়ানো আন্দোলনই কবীর সুমনকে বাধ্য করেছে “শালবল্লার বেড়ায় আগুন”-এর মতো গান রচনা করতে! তাঁর আন্দোলনই কবি রাজেশ দত্তকে বাধ্য করেছিল “মাটি আমাদের প্রাণ”-এর মত গান লিখতে! ভবিষ্যতে যখন সাহিত্যের দরবারে মূল্যায়নের সময় হবে, আমি নিশ্চিত যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আন্দোলন থেকে উঠে আসা গান ও কবিতা, যাকে আমরা এখন “সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের কবিতা ও গান” বলি, তার সঠিক মর্যাদা পাবে বাংলা সাহিত্যে, যা এর পূর্বসূরীদের থেকে কোনো অংশে কম হবে না।
বাংলার সাধারণ নির্যাতিত মানুষের মনের কথা, দুষ্ট কবি লিখেছেন . . .
(দিদি)
তুমি ফিরে এসো
ফিরে এসো আমাদেরই মাঝে
এখনো সময় আছে
সূর্য এখনো আছে
মাঝ-আকাশের এইপাশে
ফিরে এসো এদিনের
তাপসীর বুকফাটা কান্নায়
শিশুহারা মায়েদের বাঁধভাঙা
অশ্রুর বন্যায়
ফিরে এসো সেদিনের
অবিচার অন্যায়
মুছে ফেলা অগ্নিকন্যায়
আরবার ফিরে এসো
দুষ্ট কবির সেই অখ্যাত
কবিতার আঙ্গিনায়
আমরা ধন্যবাদ জানাই স্টার আনন্দ, ২৪ ঘন্টা এবং সেই সব টিভি চ্যানেলকে যাঁরা প্রশাসনের ভুল ইঙ্গিত সত্বেও তাঁদের নির্ভিক সাংবাদিকতা চালিয়ে, সেই অত্যাচারিতা নারীর পাশে থেকেছেন। সেই কথা অবশ্য আমরা কলকাতা টিভি ও চ্যানেল ১০ এর সম্বন্ধে এখন বলতে পারছি না। এঁরাই একদিন অত্যাচারিত সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামবাসীদের কথা আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন! আপনাদের আত্মসমালোচনার সময় এসেছে, যে কেন আজ তথ্য ভিত্তিক তদন্ত না করেই কোন এক পক্ষকে সমর্থন করা শুরু করলেন!
ReplyDelete